ওজন বাড়ানোর সহজ পদ্ধতি | Weight Gain Diet Tips

ওজন বাড়ানো
Share The Article

আসসালামু আলাইকুম! গুড সলিউশন লাইন হেলথ টিপস এর আরো একটি ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে “ওজন বাড়ানো ‘র উপায়” তাহলে চলুন আর অপেক্ষা কেন, ওজন বাড়ানোর উপায় গুলো জেনে নেই।

সহজেই কিভাবে ওজন বাড়ানো জায়?

আমাদের কাছে ম্যাক্সিমাম সময়ে অনেকেই আসেন ওজন কমানোর জন্য। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা জানতে চান ওজন বাড়াতে হলে কি খাওয়া উচিত এবং কি করা উচিত। মূলত যারা জানতে চাচ্ছেন কিভাবে ওজন বাড়াবেন তাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেলটি তৈরি করা হয়েছে।

দেখা যায় আমাদের প্রতিনিয়ত যে খাবারগুলো সেগুলোই খাওয়া হচ্ছে তার পরেও সে বেড়ে উঠছে না, আপনি আন্ডারওয়েট কিনা সেটা কিভাবে বুঝবেন? সেটা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

আপনার বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী আপনার যে ওয়েট থাকা উচিত সেটা যদি আপনার না থাকে তাহলে আপনি বুঝবেন যে আপনার ওজনটা এখন বাড়ানো দরকার। আবার অনেকেই চান একটু স্বাস্থ্যসম্মত দেখা যাক থাকে এবং একটু মোটা দেখা যাক, দেখতে ভালো লাগবে এজন্য অনেকেই ওয়েট বাড়াতে চান।

এমনটা করতে গিয়ে যদি আপনি মনে করেন বেশি বেশি ফ্যাট জাতীয় খাবার খেয়ে আপনি মোটা হবে, অনেকেই বলেন যে আলু ভাত খেলে মোটা হওয়া যায়, কিন্তু এটা খেলে আপনার শরীরের ফ্যাটই জমবে কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ যে ম্যাসিব বিল্ডাপ হওয়া প্রয়োজন ছিল সেখান থেকে আপনার যে হেলদি ওয়েট গেইন সেটা কিন্তু হবেনা।

তাই আপনার খাবারে অবশ্যই দুটো জিনিস খেয়াল রাখতে হবে। আপনার ক্যালোরিটা আপনি অবশ্যই যতটুকু দরকার তারচেয়ে বাড়িয়ে দিবেন, আর আপনার খাবারের যে কম্পোনেন্টগুলো, নিউট্রন গুলো সেগুলো ঠিক আছে কিনা সেটা ইনসিওর করবেন। যেমন প্রত্যেকদিন আপনি দুধ জাতীয় খাবার খাবেন, ডিম, বাদাম এবং পাশাপাশি কিছু কিছু খাবার আছে তিন বেলার পরেও আপনি আরো তিনটে স্নাক্স নিবেন।

ওজন বাড়ানো ‘র জন্য ৩টি স্নাক্স কিভাবে নিব?

যেমন ১০-১১ টার মধ্যে আমরা নর্মাল যারা ওয়েট আছে তাদেরকে বলি সব সময় ফল খাওয়ার জন্য। আপনি সেটা না করে অবশ্যই দুধের তৈরি কোন খাবার অথবা দুধ দিয়ে তৈরি কোন জুস খাবেন। যদি আপনি মিশ্রণ করে নিতে পারেন, দুধ এবং কলা। কিন্তু দুধ এবং কলা যদি আলাদা করে খান তাহলে কিন্তু ক্যালোরি কমে যায়।

গরুর দুধ এবং কলা মিল্কশেক কিংবা বানানো শেখ করে খেলে তাহলে এটার ক্যালোরিও বাড়বে এবং আপনার যে ওয়েট গেইন করার প্রবণতা সেটা কিন্তু আপনি পাচ্ছেন। আবার ম্যাংগো জুস করে খেতে পারেন, এটার সাথে আপনি এত নাট দিয়ে দিতে পারেন তাহলে আপনার যে টোটাল ক্যালরির কাউন্টার সেটা কিন্তু অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।

এগুলো ভালো করে পড়া উচিত!

আবার রাত্রিবেলা ৮-৯টার মধ্যে রাতের খাবারটা খাবেন। এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই আপনি তরল জাতীয় একটা খাবার খাবেন, যেমন- সেমাই, সুজি, সাগু যেকোনো খাবার আপনার পছন্দের হতে পারে।

ডিম এবং দুধ যদি আলাদা করে খান সেখানে আপনার যতটুকু ক্যালোরি আসে তারচেয়ে আপনি পুডিং করে খেলে আপনার কিন্তু ওয়েট গেইন হবার চান্স বেশি থাকে। তাই এই ধরনের মিক্স খাবার এবং খাবারগুলো খেলে কিন্তু আপনার যে কাঙ্খিত ওজন চাচ্ছেন তার জন্য করতে পারবেন।

এই ছিল আমাদের ওজন বাড়ানো ‘র মোটামুটি কয়েকটা পদ্ধতি। আশাকরি আর্টিকেলটি দ্বারা উপকৃত হবেন। আমাদের আর্টিকেলটি ভালো লাগলো আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন সেই সাথে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *