শরীরের যত্ন কতটা জরুরি?

শরীরের যত্ন
ad

প্রত্যেকটা মানবদেহে একটা করে শরীর রয়েছে, জন্ম থেকে মিনিমাম ৬ বছর পর্যন্ত শরীর পরিচালনা করার দায়িত্ব অন্যের হাতে তবে এরপর থেকে যখন একটা মানুষ অথবা একটা বাচ্চা নিজের ভালো-মন্দ বুঝতে পারে তখন থেকে তার শরীর পরিচর্যা করার দায়িত্ব তার হয়ে যায়। শহীদ পরিচর্যা করার জন্য অনেক সময় অনেক টাকা অনেক কিছু ব্যয় করতে হয় না।

মানুষ মাত্রই আমরা কত কাজের সাথে জড়িত থাকি, আমরা কত কাজ করে থাকে কিন্তু দেখা যায় শরীরের যত্ন না নেয়ায় আমরাও আকালে বিভিন্ন রোগে আসক্ত হয়ে পড়ে বিভিন্ন রোগ আমাদেরকে ঘিরে ফেলে তাই শরীরচর্চা করার বিকল্প অন্য কিছুই নেই।

শরীরের যত্ন নেয়া!

প্রথমতঃ সকাল থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, সময়ের মধ্যে আপনার শরীরের কোথাও সমস্যা আছে কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে।

দ্বিতীয়তঃ শরীরে কোন ধরনের রোগ কিম্বা সমস্যা রয়েছে কিনা সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে, শরীরে কোন রোগ দেখলে সেটা খেয়াল করে দেখবেন কিংবা প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনীয় মত পানি পান করতে হবে।

তৃতীয়তঃ প্রত্যেকদিন কি কি কাজের সাথে আপনি জড়িত কি কি কাজ আপনি করবেন এ ধরনের একটা লিস্ট করতে হবে এবং আপনি কখন খাবেন কখন পড়বেন কখন ঘুমাবেন এরকম একটা লিস্ট করে এই কাজগুলোকে আপনার অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।

চতুর্থতঃ আপনার হাত পায়ের নখ, মাথার চুল এগুলো কাটার জন্য প্রিপারেশন নিতে হবে যথাসময়ে গুলো ছোট করতে হবে। সপ্তাহে ৩-৪ দিন গোসলের সময় শরীরে সাবান দিতে হবে।

 শরীরের যত্ন না করলে কি হয়?

দেখা যায় বিভিন্ন ব্যর্থতার কারণে শরীরের যত্ন নেয়া হয় না দৈনন্দিন জীবনে শরীরে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝাই যায় না ব্যস্ততার মধ্যে।

এছাড়া শরীরের খেয়াল রাখা হয় না চুল নখ এগুলোর যত্ন নেয়া হয় না দেখা যায় শরীরের অবস্থা খুবই বাজে হয়ে গেছে কিন্তু রেগুলার ইনকাম ভালো হচ্ছে তাই শরীরের দিকে কোন খেয়াল নেই। শরীরকে সুন্দরভাবে তৈরি করতে হবে অতিরিক্ত ইনকাম এর মধ্যে নিজের শরীর পরিচর্যা ভুলে গেলে ভবিষ্যতে বিপদ আপনার জন্য অনিবার্য।

শরীরের যত্ন করবেন না এমনটা নয়। শরীরের যত্নের জন্য এক্সট্রা অনেক বেশি টাইম প্রয়োজন হয় না স্বাভাবিক টাইম এর চেয়ে একটু বেশি হলেই যথেষ্ট। যেমন হাত পায়ের নখ কাটতে অতিরিক্ত হলে ১৫ সময় যথেষ্ট, মাথার চুল কাটার জন্য কোন একটা সেলুন থেকে অতিরিক্ত হলে ২০ মিনিট যথেষ্ট, এছাড়া সপ্তাহে ৩-৪ দিন গায়ে সাবান মাখার জন্য সব মিলিয়ে ৩০ মিনিট যথেষ্ট তাহলে আমাদের প্রত্যেক ১৫ দিনে মোট ১ ঘন্টা সময় নিজের শরীরের পেছনে ব্যয় করতে কোন সমস্যা থাকার কথা নয়।

শরীর যেহেতু আমার নিজের তাই আমার নিজেকেই শরীরের প্রতি যত্ন নিতে হবে। নিজের শরীরকে সচল রাখতে যথাসম্ভব নিজেকে কাজ করতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের কাশি মাথাব্যথা জ্বর এগুলো হয়ে থাকে এগুলোর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা বা যথাযথ ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।

শরীর আমার সব আমার শরীর ভালো সব ভালো মন ভালো দিন ভালো এটি আমাকে বুঝতে হবে, জানতে হবে, শিখতে হবে। শরীর খারাপ রেখে আপনি কোন কাজে মন বসাতে পারবেন না তাই কাজের শুরুতে শরীর সম্পর্কে জানুন আপনার শরীরে কোন সমস্যা আছে কিনা এটা খুঁজুন সেটা জানুন।

শরীরের যত্ন নেয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের খাওয়া যত জরুলি অনুরূপভাবে শরীরের যত্ন নেয়া ততটাই জরুরি। আমরা ছাড়া ২ দিন না খেয়ে থাকতে পারি না অর্থাৎ দুই দিন না খেলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয় প্রচন্ড খিদে অথবা কিধার যন্ত্রণায় ক্লান্ত হয়ে পড়ি ঠিক এভাবেই আপনার শরীরের যত্ন না নিলে শরীরের যে মেশিন রয়েছে সেটি ক্লান্ত হয়ে যায় প্রতিনিয়ত ভালো খাবার আমি সে যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং শরীরের যত্ন নিতে হবে।

অতঃপর শরীরের যত্ন নেয়ার বিকল্প কিছুই দেখছি না। বেঁচে থাকতে হলে এটি করতেই হবে। শরীরের যত্ন নিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝা যায় তখনই যখন শরীর খুব ক্লান্ত লাগে আপনি যখন খুব বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন যখন আপনি বেহুঁশ থাকেন তখন বোঝা যায় শরীরের যত্ন কতটা জরুরি।

কোথায় রয়েছে মানুষ তখনই দাঁতের মর্ম তা বুঝতে পারে যখন তার নাগালে দাঁত থাকে না অর্থাৎ একটা জিনিস থাকাকালীন বোঝা যায় না এই জিনিসটা গুরুত্ব কতটা ঠিক তেমনি ভাবে গুরুত্ব কত তখনই বুঝতে পারবেন যখন আপনার সঠিক অচল হয়ে যাবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *