একাকীত্ব থাকা কেন হয় জানেন?

একাকীত্ব
ad

আমাদের আশেপাশে অনেক ফ্যামিলি আছে অনেক ফ্যামিলির লোকজন আছে যারা একাকীত্ব ভোগ করে অর্থাৎ মানুষদের মধ্যে চলাফেরা কিংবা মানুষদের সাথে থাকাটা তারা পছন্দ করে না এই রিলেটেড অনেক মানুষ রয়েছেন। এরকম মানুষ আছেন যারা এমন একাকীত্ব পছন্দ করেন মূলত তারা কেন একাকীত্ব থাকতে চান তাদের কেন মানুষজন ভালো লাগেনা সে বিষয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

অবশ্য একাকীত্ব থাকা মনমরা হয়ে বসে থাকা মানুষদের সাথে মিলেমিশে নাচো না এটা এক ধরনের একটা রোগ বলা যেতে পারে এ রোগে অনেকেই আক্রান্ত আছেন। ক্যাল করে দেখবেন আপনি কারো বাসায় বেড়াতে গেলেন ওই বাসার একজন ছেলে আপনাদের সাথে অত বেশি মিছামিছি করছে না অত বেশি কথা বলছেন আপনাদের সাথে খাবার খেতে আসছে না অবশ্য ওই ছেলেটা কিন্তু একাকীত্বে ভুগতেছে

একাকীত্ব এটি একটি মারাত্মক রোগ যা মানুষের থেকে আমাদেরকে আমাদের সমাজের অনেকেই আলাদা করে রাখে মানুষের মাঝে অত বেশি চলাচল কিংবা থাকার অধিকার দেয় না। আবার এই বিষয়টার জন্য অনেকে অনেক ব্যাপারে খারাপ বলতে পারে ও মানুষের সাথে চলে নাও ভালো না এধরনের অনেক মন্তব্য হয়ে থাকে কিন্তু বিষয়টা এরকম না এটা হচ্ছে ধরনের রোগ যা মানুষকে চুপচাপ থাকতে সহায়তা করে।

আবার হ্যাঁ মানুষ টেম্পোরারি অর্থাৎ সাময়িক সময়ের জন্য চুপচাপ হয়ে থাকে সেটা কিন্তু আলাদা বিষয় যেমন ফ্যামিলিতে কোন বড় ধরনের সমস্যা হলে বা ফ্যামিলি থেকে কেউ মারা গেলে অথবা কোন দোয়া বড় ধরনের একটা সমস্যা হলে তখন কিন্তু মানুষ টেম্পোরারি অর্থাৎ সাময়িক সময়ের জন্য একাকিত্ব ভোগ করে অর্থাৎ কিছুদিনের জন্য হলেও মনমরা হয়ে থাকে দেখা যায় সঠিক টাইমে খাবার খায় না বেশি মানুষের মধ্যে ভিড়ে না মানুষের মাঝে মিলামেশা করে।

প্রায়শই দেখা যায় মানুষ নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে কথা বলে না আবার বর্তমান সময়ে অনেকে মোবাইল নিয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে এরা কিন্তু একাকীত্ব বোধ করেনা এরা মোবাইল নিয়ে কেউ গেমস খেলে কেউ কাজ করে বা বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত রয়েছে এরা কিন্তু মোবাইলকে সময় দিচ্ছে কিছু মানুষ দেখবেন মোবাইল না কিছু না একদম কোন কিছু ছাড়াই নীরবে বসে থাকে দেখলে মনে হয় যেন গভীর কোনো চিন্তার মধ্যে ডুবে আছে এই এদেরকে মূলত একাকীত্ব রোগে ডুবে থাকা বলা হয়।

এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য আপনার আত্মীয়-স্বজন যারাই এই রোগে আসক্ত হয়েছেন তাদেরকে নিয়ে আপনি প্রত্যেকদিন একটু হাঁটাচলা করতে পারেন তাকে নিয়ে গল্প গুজব করতে পারেন তাকে নিয়ে প্রত্যেক সপ্তাহে একবার হলেও টুর কিংবা ভ্রমণে যেতে পারেন এতে করে তার মনে একটু হলেও হাসিখুশি চলে আসবে এতে করে তিনি সাধারণ মানুষের মতো অনেকটা হয়ে যাবে ‌

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *