সকালে ঘুম থেকে দেরি করে উঠা!

ঘুম থেকে
ad

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের বড় একটা সমস্যা হচ্ছে ঘুম নিয়ে যেটা খুব সহজেই হয় না। একটা মানুষ যদি না ঘুমাতে পারে তাহলে কিন্তু ওই মানুষটা সুস্থ থাকতে পারে না একসাথে যদি কয়েক দিন জেগে থাকে ঘুম না হয় তাহলে ওই মানুষ শারীরিক এবং মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে তাই প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে ঘুম অনেক বেশি প্রয়োজন এটা আমাদের বুঝতে হব।

তবে ঘুমের একটা নির্দিষ্ট সময়ে রয়েছে সেসময়ের বাইরে অর্থাৎ অতিরিক্ত ঘুমানো এটা আবার সমস্যা করা হয়ে থাকে আমরা অনেকেই রয়েছে বিভিন্ন ভাবে দীর্ঘ সময় ঘুমিয়ে পার করে দেয় এর জন্য অনেকেই অনেকের ফ্যামিলি থেকে বকাঝকা করে কেউ আবার বলে থাকে লাট সাহেবের বাচ্চা 😂, এগুলো শুনতে শুনতে অনেক বাঙালি ছেলে পান অভ্যস্ত এরপরেও ঘুম ত্যাগ করা যায় না দিনে মিনিমাম এদের ঘুমাতে হয় ১২ ঘন্টার বেশি কিন্তু না একটা মানুষের সবকিছু ঠিক সুস্থ থাকতে ঘুমের প্রয়োজন হয় মাত্র ৭-৮ ঘন্টা।

কিন্তু এখানে পাল্লা দিয়ে ঘুমায় কেউবা দু’দিনেও ঘুম থেকে উঠে না এমন অনেক বাঙালি রয়েছেন কিন্তু এগুলো সোহেলের জন্য মর্মান্তিক দুর্ঘটনা হতে পারে এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকর দিক নিয়ে আসে তাই সব কিছুর যেমন একটা ভালো দিক এবং একটা মন্দ দিক আছে এটার ও মন্দ দিক এবং ভালো দিক রয়েছে অবশ্য আপনাকে জানতে হবে কতটুকু সময় আপনার ঘুমাতে হবে এ বিষয়গুলো সম্পর্কে।

ঘুম ভালো তবে এটা অতিরিক্ত ভালো না। অতিরিক্ত ঘুমানোর ফলে আপনার মন-মানসিকতা অন্যরকম হয়ে যায় শরীরের মধ্যে ক্লান্তি চলে আসে কোন কাজে মন বসাতে পারবেন না কোন কাজের মধ্যে আপনি শক্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না অতঃপর দেখা যায় সব সময় নিজেকে ঘুমের মধ্যেই মনে হয়।

ঘুম শরীরের জন্য অনেকটা উপকারে তবে এটা অতিরিক্ত হলে অনেকটা ক্ষতি হয়ে যায় তাই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি ঘুমানোর প্রয়োজন বলে মনে করে না। যারা ভালো ছেলে যারা ভালো মানুষ তারা দেখবেন অতিরিক্ত ঘুমায় না তাদের ঘুমানোর নির্দিষ্ট টাইম রয়েছে সে টাইমের বাইরে তারা কখনো ঘুমায় না অথবা তাদের সারাদিনে কি করবে সে বিষয়ের উপর রুলস অথবা রুটিন লেখা থাকে সে রুটিন অনুযায়ী তারা তাদের সময়টাকে কাটায়।

কিভাবে ঘুমাবেন কতক্ষণ ঘুমাবেন এ বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনি গুগলে অনেক বেশি আর্টিকেল পাবেন সেগুলো করন সেগুলো পড়ে নিজেকে সতেজ করুন স্মার্ট করুন নিজেকে কেন ক্লান্ত করে রাখবেন আপনি। নিজেকে সতেজ করতে নিজেকে আরো শক্তিশালী করতে হেলথ টিপস গুলো ফলো করুন আমাদের এই ওয়েবসাইটে অনেক হেলথ টিপস রয়েছে সেগুলো দেখুন।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটা রুটিন থাকা উচিত যেমন কখন খাব কখন ঘুমাবো কখন গোসল করব কখন পড়ালেখা করবো কখন কলেজে যাইবো তখন ইউনিভার্সিটি তে যাবো কখন বাসায় ফিরব কখন আড্ডা দিব সব বিষয়ে যদি আমাদের একটা রুটিন থাকে তাহলে দেখা যায় আমাদের টাইম অনেক বেঁচে গেছে এবং আবার আপনি চাইলে কখন ঘোরাফেরা করবেন সে জন্য নির্দিষ্ট একটা টাইম রুটিন করতে পারেন কখন গল্প করবেন কখন মুভি দেখবেন সবগুলো বিষয় সম্পর্কে যদি একটা রুটিন করে আর সেই রুটিন অনুযায়ী যদি আপনি প্রত্যেকদিন টাইমস প্রেম করেন তাহলে দেখবেন আপনার টাইম বেঁচে গেছে প্লাস আপনার সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে চলছে এবং আপনি ঠিকঠাক ভাবে চলা অবস্থায় আপনি অভ্যস্ত হয়ে যাবেন যেটা আপনার জন্য খুবই ভালো একটা দিক।

আমি সবাইকে বলব যারা নিজেকে রুটিং এর বাইরে চালাচ্ছেন তাদের জন্য আপনারা অবশ্যই  রুটিন এর সিস্টেম করুন এবং রুটিন অনুযায়ী কাজ করুন। রুটিন অনুযায়ী করলে আপনার সবকিছুই ভালো ভালো কাটবে।

বিশেষ করে দেখা যায় যাদের দৈনন্দিন জীবনে কোন রুটিং নেই তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের সাথে জড়িত থাকে অথবা এই কাজের পর এই কাজটা নির্দিষ্ট করে রাখার পরেও ওই কাজটি করা হয় না কারো করা হয় না মনে থাকে না কেউ করে না এটা পরে করবো এভাবে ভেবে কিন্তু যদি একটা শুটিং করা থাকে তাহলে কিন্তু ওই কাজের উপর নিজের একটা প্রসার চলে যায় এবং ওই কাজ করতে মন থেকেই বলে দেয় যে ওই কাজটি করো আর যদি না থাকে তাহলে ওই কাজের প্রতি কোন এসাইন্মেন্ট থাকে না।

দৈনন্দিন জীবনের সভা রিক্রুটিং প্রয়োজন বলে আমি মনে করি তুমিও একটা তোমার জীবন তোমার সবকিছু ঠিক রাখার জন্য রুটিন করতে পারো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *