নিজেকে সতেজ রাখা

সতেজ রাখা
ad

নিজেকে সতেজ রাখা কতটা যত সহজে আমরা মুখ থেকে বলে ফেলি কিন্তু নিজেকে সতেজ রাখার বিষয়টি ততটা হয়ে ওঠে না অথবা বলতে যতটা সহজ লাগে করতে অতটা সহজ হয় না। নিজেকে সতেজ রাখতে সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হচ্ছে নিয়মিত রুটিন মাফিক কাজ করা একটা রুটিন তৈরি করা যে রুটিং এর মাধ্যমে প্রত্যেক দিন আপনার চলাফেরা খাওয়া লাওয়া সবকিছু গঠন করতে হবে।

আচ্ছা আপনার হাতে যে স্মার্টফোন রয়েছে সেই এ স্মার্টফোনটির যত্ন আপনি কেমন ভাবে নেন আপনি নিজেই বুঝতে পারেন আপনার স্মার্টফোনকে যেন হাত থেকে কোনো ভাবেই পড়ে না যায় সে বিষয়ে আপনি পর্যাপ্ত সচেতন এবং যদি আপনার স্মার্টফোনটি কোনভাবে হাতের বাইরে কিংবা হাত থেকে পড়ে যায় সেখানে কিন্তু আপনি মনের মধ্যে হঠাৎ বড় একটা ধাক্কা খান আবার স্মার্ট ফোনটাকে মাটি থেকে তুলে অনেকভাবে পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন একইভাবে আপনার নিজেকে পরিপাটি করা উচিত।

আপনার শরীর-মন স্বাস্থ্য এগুলো কেবলমাত্র ভালো রাখার দায়িত্ব আপনার নিজের হয়ে থাকে তাই এগুলো কিভাবে ভাল রাখবেন এভাবে এগুলোর পরিচর্চা করবেন সেগুলো আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে অবশ্যই জানতে হবে।

আমাদের একটু জ্বর হলে আমরা সেটাকে প্রায় সময়ই ইগনোর করে চলে সাধারণত একটু মাথা ব্যথা করলে হাত পা কেটে গেলে সেটা আমরা ইগনোর করে চলে অত বেশি চিকিৎসা কিংবা শুয়ে থাকা এগুলো হয়ে ওঠে না কিন্তু আমাদের উচিত যে কোন ছোট বড় কারণে আমাদের শরীরের প্রতি যত্ন নেয়া কারন আপনার শরীর যখন সচল থাকবে আপনার পৃথিবী কে সচল মনে হবে আর আপনার শরীর যখন অচল হয়ে পড়বে তখন পৃথিবীতে আপনার কাছে বিরক্ত হীন মনে হবে।

পৃথিবীর সচল রাখার জন্য হলেও আপনাকে সর্বোপরি শরীরের যত্ন নেয়া অনেক বেশি জরুরী।

আমাদের উচিত দৈনিক রুটিন মত কাজ করো যেটা আমি শুরুতেই বলেছিলাম ও ঠিকমতো কাজ করতে পারলে আপনার শরীর-মন স্বাস্থ্য সবকিছুই ভালো থাকবে তাই রুটিনমাফিক নিয়মিত কাজ করুন আপনার পৃথিবীর কেউ ভালো মনে হবে আর অসুস্থ থাকলে পৃথিবীর কেউ বিরক্ত মনে হবে।

ধরুন এখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন আপনার চারপাশে সবাই যারা রয়েছেন সবাই খেলাধুলা করছেন সবাই সবার মত করে আছেন কিন্তু আপনি নিজের মতো করে পড়ে আছেন আপনার ইচ্ছে হলেও আপনি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছেন না নিজেকে নাড়াতে পারছেন না আপনার নিজের শক্তিতে দাঁড়াতে পারছেন না তখন বিষয়টা আপনার কাছে এত খারাপ লাগবে তখন আপনার মনে হবে যে পৃথিবীটা বিরক্ত করা এবং পৃথিবী থেকে যাওয়াটা আপনার জন্য জরুরী এমনটা আপনার মনে হতে পারে তাই সময় থাকতে নিজেকে সচল করুন।

আমরা জানি কিছু কথা আছে গ্রামের ভাষায় যেগুলোকে বলা হয় দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম তা বোঝা যায় না অনুরূপভাবে শরীরের শক্তি থাকতে শরীরের পরিচর্যা করা হয় না যখন আমাদের শরীর অচল হয়ে পড়ে তখন আমরা ডক্টর নার্স এদের কাছে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দিন কিন্তু আমরা যদি শুরু থেকে ইয়ং বয়স থেকে আমাদের শরীরকে বেঁধে রাখতে পারি শরীরকে শক্তিশালী করতে পারে সইতে পারে তাহলে কিন্তু আমরা ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হই না তাই আমাদের উচিত সর্বদা সর্বোপরি শরীরের যত্ন নেওয়া।

আলহা শরীরের যত্ন নেয়া তো অনেক বড় কষ্টকরই না। নিয়মিত ব্যায়াম করলেন একটু দৌড়াদৌড়ি করলেন প্রত্যেকদিন একটু সাংসারিক কাজে পরিশ্রম করলেন সপ্তাহে দুদিন গোসলের সাবান দিলেন হাত পায়ের নখ কাটলে চুল কেটে রাখলেন শরীরকে সতেজ রাখার জন্য এর বেশি কিছু মনে হয় বলে আমার মনে হয় না এগুলো যদি আপনি নিয়মিত করতে পারেন তাহলে আপনার জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করছে সামনের দিনে আর এগুলো যদি আপনার কাছে বিরক্ত মনে হয় সময় নষ্ট হওয়ার জিনিস মনে হয় সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আপনার জন্য ভয়াবহ কিছু অপেক্ষা করছে।

শরীর ভালো রাখার বিকল্প কিছুই নাই তাই শরীর ভালো রাখার জন্য আপনাকে সবকিছুই করতে হবে শরীরকে ভালো রাখুন দেখবেন আপনি নিজেই ভালো আছেন। শরীর স্বাস্থ্য মন সব গুলো ভালো রাখার দায়িত্ব আপনার তাই এগুলোতে ভালো রাখতেই হবে।

হাই বন্ধুরা আমরা আজকেরে আর্টিকেল থেকে বুঝতে পারলাম শরীর-স্বাস্থ্য এগুলো তুমি ভালো রাখতে হয় আশা করি কালকে তোমাদের কাজে আসবে এবং এয়ারকেল সম্পর্কে তোমার কোন মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারো।

Author: হেলথ টিপস ডেক্স

"Gslht" whose complete form is "Good Solution Line Health Tips" We all want our body to be good; we want our body and mind to be fresh all the time. If the body is good, everyone's mind becomes good.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *