সকাল থেকে শরীরের সুস্থতা

শরীরের সুস্থতা
ad

আচ্ছা শরীরের সুস্থতা বলতে আপনি কি বুঝেন শরীর ভালো থাকা এটাই কি? শরীরের সুস্থতা বলতে অনেক কিছু এখানে বুঝায় এর মধ্যে একটা বিষয় হচ্ছে মন মানসিকতা ভালো থাকা। শরীর সুস্থ রাখতে সবচাইতে ভালো আইডিয়া হচ্ছে সকালবেলা একটি দুর্দান্ত ব্যায়াম করা। সকালবেলা দূর্দন্ত গেম আপনাকে সারাদিন পারিশ্রমিক করে তুলবে আপনার শরীরে দ্বিগুণ শক্তি জোগাড় করে দেবে। আমি আগের আর্টিকেলে বলেছিলাম যে বুকডন দেওয়ার ব্যাপারে সেটা কিন্তু অনেক বেশী কার্যকর এ সারাদিন শক্তি জোগাড় করতে সেটা আপনি ট্রাই করতে পারেন আশা করি ভাল ফলাফল অর্জন করতে পারবেন।

সকালবেলা উঠে আমরা কি করি? অবশ্যই ঘুম থেকে উঠে মোবাইল হাতে নিয়ে মিনিমাম ৩০-৪৫ মিনিটের বেশি ফেইসবুকিং করি মোবাইলের বিভিন্ন নোটিফিকেশন ইমেইল চেক করে এরপরে উঠে ব্রাশ হাতে নিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিজের কাজে যোগদান হয়ে যায়। মূলত এটা কি কার্যকারী? কখনোই না এটা কার্যকরী না। শরীরের সুস্থতা!

আগের আর্টিকেল এ বিষয়টি বলা ছিল যে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই বুক ডাউন দেওয়ার বিষয়টা সেটা অবশ্যই করবেন ঘুম ভাঙ্গা মাত্রই যখন বুঝতে পারবেন আপনি ঘুমে আচ্ছন্ন নেই অর্থাৎ আপনার ঘুম ভেঙে গেছে তখনই খেয়াল করবেন যে আপনার শরীরে কোনো শক্তি নেই শক্তি না থাকা সত্বেও আপনি চেষ্টা করবেন প্রথম দুটো বুক ডাউন দেওয়ার প্রথম দুটো মনে আপনি শক্তি পাবেন না কষ্ট করে দিবেন এরপরের বুকডন গুলোতে আপনি পর্যাপ্ত শক্তি পাবেন এবং আপনার ঘুম ভেঙে যাবে শরীরের মধ্যে একটা গাম চলে আসবে।

মিনিমাম কয়েকটা বুকডাউন দিবেন পর্যাপ্ত যতগুলো পারেন দিবেন দেয়ার পরে খেয়াল করবেন শরীর গরম হয়ে গেছে ঘুম উধাও হয়ে গেছে এরপরে চাইলে ৫ মিনিট ফ্যানের বাতাস এর সামনে বসবেন বসার পরে নিজের শেষ হওয়ার জন্য যা প্রয়োজনীয়তা করবেন করার পরে নাস্তা করে কাজে মনোযোগ দিবেন দেখবেন শরীর সতেজ আছে শরীরের মধ্যে দ্বিগুণ শক্তি অনুভব করছেন। বিশেষ করে যারা অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকে তারা রাতে ঘুমানোর আগে কয়েকটা বুকডাউন দিলে তাতে শরীরের মেশিন খুবই ভালো থাকে মেশিন ড্যামেজ হয় না।

সকাল থেকে শরীরের সুস্থতা!

সোল্ডার মেশিন ভালো রাখতে এটা কয়েক গুণ কার্যকারী তাই এটা প্রতিনিয়ত করুন। সবচেয়ে ভালো হয় সকালবেলা উঠে ব্যায়াম করার পরে খালি পেটে মিনিমাম “হাফ লিটার পানি” পান করা। পানি পান করার ফলে আপনার শরীরে রাতে যে সকল জীবাণু তৈরি হয়েছে সেগুলো খুব সহজেই বের হয়ে যাবে শরীরের মধ্যে যত রোগ জীবন রাতে তৈরি হয়েছে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে এর ফলে শরীর আরো সাথে আরো শক্তিমান হয়ে উঠবে।

পানি খাওয়ার উপকারিতা অনেক রয়েছে তবে এর মধ্যে বেশি উপকৃত হচ্ছে তাদের গ্যাস্ট্রিক তাদের জন্য। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে মোটামুটি এক্সারসাইজ অথবা ব্যায়াম করে মিনিমাম হাফ লিটার কিংবা পুরো এক লিটার পানি পান করার পরে দেখবেন শরীরের মধ্যে অন্য রকম একটা অনুভূতি চলে আসছে। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিক রোগ রয়েছে তাদের জন্য সকাল বেলা খালি পেটে পান করা অতি উত্তম অনেক বেশি উপকারিতা তাই এটি নিয়মিত করুন দেখবেন আপনার গ্যাস্ট্রিক রোগের সমস্যার সহজ সমাধান হবে।

গ্যাস্ট্রিক এটি মূলত হয় বিভিন্ন কারণে! বিভিন্ন ভাজা-পোড়া খাবার খাওয়ার জন্য হতে পারে, আত্তাদিক সময় খিদে পেটে নিয়ে থাকার জন্য হতে পারে, এছাড়াও অনেক অনেক কারণ রয়েছে এটি হওয়ার জন্য তাই এ কারণগুলোকে এড়িয়ে চলতে হবে। গ্যাস্ট্রিক এমন একটি রোগ যা নিরাময় করা অনেকটা কঠিন হয়ে যায় তাই পানি পান করুন এটি অটোমেটিক আপনার অজান্তেই নিরাময় হয়ে যাবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনি প্রত্যেকদিন আপ লিটার পানি ঘুম থেকে উঠেই পান করুন এভাবে মিনিমাম ২০-২৫ দিন পানি পান করুন আপনার গ্যাস্ট্রিক অটোমেটিক উধাও হয়ে যাবে। আর হ্যাঁ এটা পার্মানেন্টলি উধাও হয়ে যাবে। শরীরের সুস্থতা!

এছাড়াও পানি বেশি পান করার অনেক বেশি উপকারী তো থাকে কিডনি ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না, মানুষকে সচল রাখতে কিডনি অনেক বেশী কার্যকর কিডনি ড্যামেজ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে আমাদের শরীরের শক্তি আমার সবকিছু কমে যায় দীর্ঘ সময় থাকার ফলে মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তাই সচরাচর কিডনি গ্যাস্ট্রিক আত্তাদিক রোগের উপকারিতা কাজ করছে পানি। পানিকে পর্যাপ্ত প্রধান নদী বেশি করে পানি খান শরীরে আত্তাদিক শক্ত অনুভব করতে পারবেন। শরীরের সুস্থতা!

এছাড়াওহেলথ রেলিটেড আর্টিকেল আমাদের সাইটে রয়েছে সেগুলো পড়ুন এবং শেয়ার করুন ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *