রাগ নিয়ন্ত্রণ করার সহজ কৌশল!

রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
ad

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের বাঁচতে হলে বিভিন্ন সিচুয়েশন সভাপতি করতে হয় তার মধ্যে বড় সমস্যা হচ্ছে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা যেটা দৈনন্দিন জীবনে আমাদের অনেক বেশি হয়ে থাকে যে কোন জিনিসের আমাদের বিপরীতে আমরা অবশ্যই রেগে যাই এবং সেটা কিভাবে কন্ট্রোল করা যায় সহজে সেটা আপনাদের আমি জানাবো।

প্রতিদিনের মতো আমি আছি আপনাদের সাথে সাইফুল ইসলাম। আপনাদের কি শিখাচ্ছি আজকে কিভাবে রাগ কন্ট্রোল করা যায় এবং যেকোন সিচুয়েশনে কিভাবে আপনি রাগ কমাবে এবং আরও সহজে কিভাবে মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকা যায় এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আজকের আলোচনা। তাহলে আর অপেক্ষা করে চলুন বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

রাগ নিয়ন্ত্রণ করা!

দৈনন্দিন জীবনে আমরা জানি সকল খারাপ কাজ এর একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে না আমরা যদি খুব সহজেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা পারতাম তাহলে হয়তোবা অনেক কিছু খারাপ হত না দেখা যায় মানুষ মানুষকে তখনি ভয় করে যখন রাগ চলে আসে যখন অতিরিক্ত রাগ হয়ে যায় তখন একটা মানুষ আরেকটা মানুষকে মেরে ফেলতে বাধ্য হয় অর্থাৎ এত পরিমাণে রাগ হয় যে তার সামরিক অথবা স্বাভাবিক যেটা থাকে না যার ফলে তিনি খুব বেশি রাগান্বিত হয়ে একটা মানুষকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে না।

তবে বিষয়টা এমন যে রাগ কমে গেলে ওই মানুষটি বুঝতে পারে যে এই হত্যা করা আমার উচিত হয়নি সন্তানের জন্য অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে এর জন্য আমাকে অবশ্যই শাস্তি ভোগ করতে হবে কেউ যদি জানত যে এইটা করলে আমাকে এর মাশুল দিতে হবে আর তখন যদি তার মাথায় রাখুন তো জেনেই হত্যা করা যাবে না তাহলে আমার শাস্তি হবে তাহলে সে কখনোই মানুষকে হত্যা করত না কিংবা কারো সাথে রাগারাগি কি এগুলো কখনোই করতো না।

আমরা মানুষ গোলাম/ দাস- আমরা প্রত্যেকটা দিনে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সিচিউশন ফেইস মধ্যে কিছু সময় ভালো হয় আবার কিছু সময় খারাপ হয় তবে ভালো সময়টাতে সুখের হলেও খারাপ সময়টা সুখের হয়ে থাকে না যার জন্য তখন আমাদের বিভিন্ন বিষয়ের উপর রাগ চলে আসে। এখন সহজ পদ্ধতিতে রাগ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আপনাকে সহজ কিছু কার্যকরী টিপস অবলম্বন করতে হবে।

রাগ নিয়ন্ত্রণ করার প্রথম কৌশল হচ্ছে আপনি যখনই দাড়ানো অবস্থায় প্রচন্ড রেগে যাবেন তখন নিজের যদি ভূত থাকে তখনই রাগান্বিত অবস্থায় বসে পড়বেন মাটির উপর রাগ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে এরপরেও যদি আপনার হাতের কাছে কিংবা আশেপাশে পানির ব্যবস্থা থাকে অর্থাৎ খাবার পানির ব্যবস্থা থাকে সে ক্ষেত্রে দ্রুত কিছু পানি পান করুন এতে করে রাত নিমিষেই চলে যাবে এরপরেও যদি রাগ করো না হয় সে ক্ষেত্রে বুকডাউন দিনের মধ্যে যখন দেখবেন কষ্ট অনুভব হচ্ছে তখন রাত অনায়াসে পালিয়ে যাবে।

এছাড়া রাগ বের হওয়ার আরো বেশি উপায় রয়েছে যেগুলোর আপনারা ভূগোল থেকে সহজেই বের করতে পারেন। রাগ মানুষকে কি ওর মত ক্ষতির দিকে টেনে নেয় একটি মানুষকে উপকার এর দিকে নিয়ে যায় না তাই রাগ থেকে বাঁচতে বাপ বাঁচাতে অবশ্যই আপনি এ কাজগুলো করবেন মনে রাখবেন ফানি এমন একটি জিনিস যা আপনার শরীরের ঢোকামাত্রই আপনার রাগ নিমিষেই পালিয়ে যাবে অনেক সময় হাতের নাগালে পানি থাকে না তখন কয়েকটা বুকডাউন দিন এতে করে রাগ নিমিষেই পালিয়ে যাবে তাও যদি না পারেন তাহলে খুব সহজে একটু দৌড়াদৌড়ি করুন।

দৌদৌড়োদৌড়ি করলে নিমিষেই আপনার গ্রাম পালিয়ে যাবে অথবা যেকোন সিচুয়েশনে রাগ উঠে তখন একটু কষ্টের কাজ করুন দেখবেন রাগ নিমিষেই পড়ে গেছে এটা অবশ্যই আপনাদের জন্য ভালো দিক। এছাড়াও শরীরে মোটামুটি কষ্ট অনুভব হলে রাখবো কেউ থাকবে না আবার অনেক সময় বিভিন্ন কষ্টের জন্য শরীরে রাগ চলে আসে তখন আপনি পানি পান করুন অথবা রেস্ট নিন তখন দেখবেন অটোমেটিক চলে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *