কিভাবে গঠন করবো নতুন আভাস? রিমাইন্ডার!

রিমাইন্ডার
ad

অভ্যাস তৈরি করা খুবই কঠিন এবং সবাই সাফার করে কিভাবে একটা হেবিট ফলো করা যায়। আজকে আমি একটা সাইন্টিফিক মাধ্যম বলতে চাই যে সাইন্টিফিক মাধ্যমে আমরা কাজে লাগালে যে কেউ আমাদের জীবনের নতুন একটা হ্যাবিট পূরণ করতে পারব।

“Tree Are technique” এটা কি?

প্রথম আর্ট হল রিমাইন্ডার। সেকেন্ডারি রুটিন এবং তার আর্ট হল রিবইন। এখন এই তিনটা কিভাবে কাজ করে?

রিমাইন্ডার-

রিমাইন্ডার হলো আমরা যে একটা নতুন অভ্যাস গঠন করবো এটার যদি কেউ রিমাইন্ডার না দেয় তাহলে আমরা ভুলে যাই আমরা যেমন একটা কাজ করার প্ল্যান করি প্রত্যেকদিন সকালে দুই কিলোমিটার দৌড়াবো কিন্তু রিমাইন্ডার দেয়ার মত কেউ নেই তাই আমরা ভুলে যাই।

রুটিন- একচুয়ালি আমরা যে কাজটা করি সেটা হচ্ছে রুটিন। এবং কাজ করার শেষে যে রিয়ার্ড আমরা পাই অথবা নিজেদেরকে দেই এটাই হলো রিয়ার্ড।

এক্সাম্পলঃ ধরুন কলিংবেল আসলো এখন এই কলিংবেল হচ্ছে একটা রিমাইন্ডার। অর্থাৎ কেউ একজন দরজায় আসছে এবং মেসেজ করছে। এখন আপনি কি করেন, দরজা খোলার উদ্দেশ্যে দরজার ওখানে যান গিয়ে দরজা খুলে দেখেন কে আসছে এটার ফলে রিয়ার্ড হলো মাজের মধ্যে আপনার পরিচিত কেউ আসে দরজার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকে আপনি দেখতে পান।

যেমনটা বলছিলাম নেগেটিভ রিয়ার্ড, দরজা খুলে দেখলেন গ্যাস বিল কিংবা পানির বিল দিতে আসছে সেটা আপনার অস্বস্তি ও বিরক্ত লাগতে পারে এটা কে নেগেটিভ রিয়ার্ড বলা হয়ে থাকে।

এখন এই যে তিনটা কাজ এই তিনটা কাজের দিয়ে কিভাবে হ্যাবিট ফ্রম করা যায়। ফার্স্ট অফ অল রিমাইন্ডার: আমরা যে সেই কাজটাই করছি নতুন জব্বা স্টাফ ফ্রম করার চেষ্টা করছি সে অভ্যস্ত ফ্রম করার জন্য একটা অটো রিমাইন্ডার সেট করতে হবে! কিভাবে? এক্সাম্পল আপনি সকাল বেলা দাঁত ব্রাশ করবেনই, দুপুরবেলা ভাত খাবেনই, যেমন কোনো চিকিৎসার জন্য আপনাকে ওষুধ দিলে সেটা খাওয়ার জন্য আপনাকে বলে দেয় দুপুরে খাওয়ার পর এটা খাবেন আপনি কিন্তু দুপুরে খাবেনই, রাতে ঘুমানোর দরকার নাই এটা ঘুমাবেনই নিশ্চিত।

সসকাল বেলা দাঁত ব্রাশ করার পরে আপনি চিন্তা করলেন আমি নতুন এই কাজটা করব। দাঁত ব্রাশ যখনই আপনি করছেন তখনি রিমাইন্ডার কাজ করছে। এক্সিস্টিং আপনি যে কাজগুলো করেন অর্থাৎ যে হেবিট কিংবা অভ্যাস রয়েছে ওইটার সাথে নতুন যে হবিট রয়েছে ওইটাই এটাস্ট করে দিবেন। তাহলে ওই কাজটার পরেই আপনি নতুন এই কাজটা করলেন।

দ্বিতীয়তঃ যখন কাজটা আপনি করছেন কাজটা অনেক কঠিন হওয়াতে কাজটা করা হয়ে ওঠে না, নতুন ভ্যাট এর ক্ষেত্রে সবথেকে বড় সমস্যা সেটা হলো হ্যাভ ইট এর নতুন টার্গেট এত বড় থাকে আমরা ভয় পেয়ে যায় যেমন- সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আমি দুই কিলোমিটার দৌড়াবো এই ভয়ে আপনার সকাল বেলা উঠতে ইচ্ছা করে না। আপনি ফাস্ট কাজকে একদম ছোট করে ফেলেন j2 কিলোমিটার দৌড়ানো আমার টার্গেট নাই আমার টার্গেট হচ্ছে জাস্ট বাসা থেকে বের হয়ে আমার আশেপাশের যে মাডার হয়েছে সেখানে পর্যন্ত যাব।

কেন? কারণ ওই যে মাঠ পর্যন্ত যাওয়াটা কিন্তু সহজ কাজ। খুব হার্ড একটি কাজ নয় অর্থাৎ আপনি যদি এখন মার্চ পর্যন্ত চান বাকি দুই কিলোমিটার অটোমেটিক দৌড়ানো হয়ে যাবে। কারণ শুরু করাটাই হচ্ছে সবথেকে কঠিন, শুরুটা যদি একবার আমরা করেই ফেলি বাকি কাজগুলো ইজিলি হয়ে যায়।

থার্ড এবং ফাইনাল: দা রিয়ার্ড- আপনি কাজটা সম্পন্ন করলেন করার পরে কোন রিয়ার্ড পেলেন না তখন আপনার মত ভাল লাগবে না। তখন আপনাকে যদি কেউ রিয়ার্ড নাও দেই অর্থাৎ “রিয়ার্ড ইয়োর সেল্ফ” দরুন বই পড়ার মধ্যে একটা চকলেট রেখে দিলেন অর্থাৎ পড়া হয়ে গেলে চকলেটে কি আমি খাব অর্থাৎ নিজেকে রিয়ার্ড দেয়া।

অথবা আপনি কক্সবাজার কিংবা ভালো একটা রিসোর্টে গেলেন তখন ছবি তুলেন সেই ছবিগুলো ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেন তখন লোকজন লাইক যায় এই যে মানুষ লাইক দিচ্ছে এগুলো হচ্ছে একটা রিয়ার্ড। এ কারণে কিন্তু আপনি খুবই সুন্দরভাবে পোচ-পাচ করে ছবিটি তুলেছেন। এখন আপনার কাজের যদি কোন রিয়ার্ড না থাকে যদি কেউ আপনার কাজের প্রশংসা না করে তাহলে আপনার কাছে এমনিতেই ভালো হবে না।

সুতরাং কেউ যদি আপনাকে রিয়ার্ড না দেয় নিজেই নিজেকে রিয়ার্ড দিবেন। যেমন আমি এখন খেলা করব খেলার পরে আমার জন্য বড় একটা শরীর ক্লান্তি না হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে এই জুস খাওয়ার অপেক্ষায় আমি খেলাটা শেষ করবো এটাই হচ্ছে নিজেকে নিজের রিয়ার্ড দেয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *