শারীরিক পরিশ্রমের সুফল!

শারীরিক পরিশ্রম
ad

শারীরিক পরিশ্রমের সুফল বলতে আমরা অনেক কিছুই বুঝে থাকি আমরা মনে করে থাকে যেন আমাদের শরীর ধারা অনেক বেশি খাটনি করতে হবে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হবে তাহলে হয়তো আমাদের শরীর এবং শরীরের মেশিন দুটোই সচল থাকবে। শারীরিক পরিশ্রম বলতে কি এটাই বোঝায়? না।

দৈনন্দিন জীবনে একটা মানুষ সুস্থ থাকতে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করার প্রয়োজন হয় না এতে আরো শরীর অচল এবং শরীরে ক্লান্তি চলে আসে। শরীর সচল রাখতে কেবলমাত্র দৈনন্দিন যে কাজগুলো আমাদের সেগুলোই যথেষ্ট। আবার অনেকে মনে করে থাকি আমার তো কোন কাজ নেই বাসায় তাহলে আমি শারীরিক পরিশ্রম কিভাবে করব তাদের জন্য রয়েছে প্রতিদিন ব্যায়াম করা ব্যায়াম করা কিন্তু শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটা জিনিস যার ফলাফল কিছুদিন পরেই পাওয়া যেতে পারে।

তাই যাদের বাসায় কোন কাজ নেই তারা সচারাচার ব্যায়াম করে এই শারীরিক পরিশ্রমের অংশটা কাভার করতে পারেন তবে বাসায় কাজ থাকে না এমন ছেলে মেয়ে আছে বলে মনে হয় না কমবেশি সবারই বাসায় পরিশ্রমিক কাজ থাকে সেটা হতে পারে বাসার বাজার করা বা সাজারু দেয়া বা সামোসা অথবা মায়ের কাজে হেল্প করা এগুলোই কিন্তু শারীরিক পরিশ্রম এগুলো করলে আপনার শরীরের যে মেশিন সেটি অচল হবে না বরং সচল থাকবে।

শারীরিক পরিশ্রমের সুফল রয়েছে অগণিত! দেখবেন খেয়াল করে যারা অলস কাজে ফাঁকি দেয় অর্থাৎ কাজ করতে ভয় পায় কাজের নাম শুনলেও পালিয়ে বেড়ায় তাদের শরীর পুষ্টি হয় না তারা নিয়মিত দেখবেন খেতে পারে না সবার সাথে মিলেমিশে দৌড়াতে পারে না অতঃপর তাদের দেখবেন অস্বস্তি একটা ভাব মনে এবং তাদের শরীরের মধ্যে।

শারীরিক পরিশ্রম!

যারা নিয়মিত পরিশ্রম করে নিয়মিত ক্লান্তি করে তারাই কেবল মাত্র সব কাজে সবার আগে এগিয়ে আসে এবং সব কাজ করতে সক্ষম হয়। তবে হ্যাঁ আমাদের শরীর যেটুকু লোড নিতে পারবে তার বেশি যদি আমরা দিয়ে থাকি সে ক্ষেত্রে কিন্তু লোড ওভার হয়ে আরো সমস্যা সৃষ্টি করবে তাই খেয়াল করতে হবে যেন লোর্ড ওভার না হয়। আমাদের শরীরের যতটুকু নিতে পারে ততটুকুই দিতে হবে অর্থাৎ আমাদের শরীরে দত্তপুকুর লোড নিতে পারে কতটুকু পরিশ্রম করতে হবে।

আমি আবারও বলছি যাদের বাসায় কাজ নেই তারা একটা জিমে গিয়ে রেগুলার ব্যায়াম করতে পারেন এতে করে শরীরে উন্নত হল সেই সাথে আপনার প্রতিদিন যে পরিশ্রম করবেন সেটাও পূরণ হলো। এর বিকল্প কিছুই দেখছি না।

অনেক মানুষ আছে কাজের নাম শুনলে পালিয়ে বেড়ায় কাজ ভয় পায় তারাই হল ফাঁকিবাজ আর এই ফাঁকিবাজ হওয়ার পিছনে তাদের রহস্য হচ্ছে তারা শুরুতেই শরীরের যত্ন নেয় নি শরীরকে শরীরের মত করে বাড়তে দেয় নি অর্থাৎ কোন কষ্টের কাজ তারা শুরু থেকেই করেনি যার জন্য এখন তাদের শরীর অলস হয়ে গেছে চাইলেও শরীর কোন কিছু করতে পারছে না তবে হ্যাঁ এই অলসতা থেকে আমাদেরকে বের হতে হবে শারীরিক পরিশ্রমের মনোযোগী দিতে হবে।

শারীরিক পরিশ্রম না করলে একটা মানুষ অকালে অচল হয়ে যায় বুদ্ধি মাত্রা হারিয়ে অন্যরকম মন মানসিকতা নিয়ে পড়ে থাকে। সচল একটা মানুষ কখনো ঘরে বসে থাকতে পারে না তারা তাদের রুটিন অনুযায়ী কিছু না কিছু কাজের সাথে জড়িত থাকে এটাই সচল মানুষের কাজ।

যদি দেখেন কোন সচল মানুষ ঘরে বসে আছে তাহলে বুঝবেন ওই মানুষটি অচল হতে বেশি দিন বাকি নেই কারণ সচল মানুষ ঘরে বসে থাকলে শরীরের মধ্যে অন্যরকম একটা অনুভুতি আসে অর্থাৎ কি কাজ করা যেতে পারে কিংবা প্রতিনিয়ত শরীর ধারা কোন ভারী কাজ করলে ওই মানুষ ঘরে বসে থাকে না বুঝে থাকলে তাদের শরীরের মধ্যে অন্য রকম একটা অনুভূতি চলে আসে কিভাবে কাজ করা যেতে পারে কোন কাজটি আমি এখন কোন ধরনের অনুভূতি।

আমি বলছি না আপনি কষ্টের কাজ গুলো প্রতিনিয়ত করেন তবে হ্যাঁ হালকা কাজ গুলো আপনাকে করেন যাতে করে শরীর একদম অচল হয়ে না যায় শরীর অচল হয়ে যাওয়া মানেই হচ্ছে ভবিষ্যতের জন্য এটা অনেক বড় হুমকি স্বরূপ কিন্তু আপনার শরীর অচল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

দেখা যায় শহরে অনেক মানুষ বেলা ২ টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকে কোন কাজ নেই তাদের শরীর গুলো দেখবেন খুবই নাজুক তারা কোন কষ্টের কাজে মনোযোগী হতে পারেনা। তাই বলছি প্রতিদিন হালকা করে হলেও শারীরিক পরিশ্রম করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *