শরীর সুস্থ রাখতে চান?

শরীর সুস্থ রাখ
ad

শরীর সুস্থ রাখতে চান? মানুষের মধ্যে একটা জিনিস কাজ করে সেটা হচ্ছে মেশিন মেশিন যদি সুস্থ থাকে তাহলে শারীরিকভাবে সবকিছুই সুস্থ। সচরাচর আমাদের চারদিকে যে যন্ত্র মেশিন গুলো রয়েছে সেগুলো যদি নষ্ট থাকে তাহলে কিন্তু সেই মেশিন দ্বারা মেশিনের কাজ কার্যকারী হয় না অনুরূপভাবে আমাদের শরীরের মেশিন যদি থাকে অথবা মেশিনে যদি থাকে সে ক্ষেত্রে কিন্তু আমাদের শরীর সতেজ থাকে না।

তাহলে বুঝতে পারছেন আজকে আমরা শরীর সুস্থ রাখার বিষয় নিয়ে কথা বলবো। শরীর সুস্থ রাখার অনেকগুলো টিপস রয়েছে তার মধ্যে প্রধানত হচ্ছে ব্যায়াম, খাওয়া-দাওয়া শারীরিকভাবে ফিট থাকা। আমাদের শরীর সুস্থ থাকলে আমরা অসুস্থ আমাদের মন-মানসিকতা সবকিছুই সুস্থ। তাহলে চলুন জানা যাক শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে কি কি কাজগুলো করা যেতে পারে।

শরীর সুস্থ রাখার কার্যকারী টিপস!

এই বন্ধু আমি তোমাদের সাথে আছি অমুক ফকির। হ্যাঁ আমি কোন ডাক্তার নয় আমি কোন চিকিৎসক বা কিছুই নয় আমি আমার সাধারণ জ্ঞান থেকে তোমাদের বলছি তুমি আমার দেয়া টিপসগুলো কয়েকদিন কাজে লাগাও দেখবে অবশ্যই তুমি পরিবর্তন পেয়েছো।

প্রথমত প্রত্যেকদিন ঘুম থেকে উঠে এবং ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে “বুকডাউন দেয়া।” বুক ডাউন দেওয়ার সুবিধা কি জানো? বুক ডাউন দেওয়ার মেইন সুবিধা হচ্ছে তুমি সারাদিন যত কাজ করেছো সারাদিন তোমার শরীরের মধ্যে অনেক হার্ড কিছু হয়েছে সেগুলো শেষ করতে তুমি ঘুমানোর আগে বুকডাউন দিতে পারো এতে করে রাতে তোমার শরীর যে নিস্তব্ধ হয়ে থাকবে অর্থাৎ শরীরের মধ্যে কোন কাজ করবে না তখন এই ব্যায়ামটা অনেক বেশি কার্যকর হবে।

এছাড়াও ঘুম থেকে উঠে বুক ডাউন দেওয়ার অনেক বেশি সুফল রয়েছে যেটা আমি নিজেই উপলব্ধি করতে পারছি। ঘুম থেকে ওঠার পরে নিজ দায়িত্বে ২০-২৫ টির মত বুকডাউন দিয়েছেন ঘুমানোর মধ্যে শরীর নিস্তব্ধ ঠান্ডা ছিল এখন দেখো তোমার ঘাড় ফুটবে শরীর ব্যথা থাকলে সেটা ঠিক হয়ে যাবে সারাদিন কাজে মন দিতে পারবে সারাদিন প্রচুর কাজ করতে পারবে শরীর ব্যথা হবে না। আমরা জানি ঘুমানোর পরে শরীর অর্থাৎ মেশিন বন্ধ হয়ে থাকে যখনই ঘুম থেকে জাগিয়ে তখন আবার মেশিন স্টার্ট হয় তার মানে বোঝা গেল প্রয়োজনীয় মতে মেশিন কে সচল রাখতে হবে।

তারমানে আমরা বুঝতে পারলাম বুকডাউন আমাদের কতটা সচল রাখতে সহায়তা করে। প্রথম দিনেই আপনি ৩০ টি বুকডাউন দিতে পারবেন না প্রথম দিন হয়তো বা আপনি ৫-১০ দিতে পারবেন এর পরে আস্তে আস্তে করে আপনি বাড়ানোর চেষ্টা করবেন তখনই আপনি কি বলবো তা সফল হবেন।

একদিনের সফল হওয়া যায় না সেরকম একদিনে আপনার অনেকগুলো বুকডাউন দিতে সহায়ক হবেন না। আস্তে আস্তে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় মত কাজ চালিয়ে যান অবশ্যই ১০-১৫ দিনের মধ্যে ভালো ফলাফল পেয়ে যাবেন। যারা অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকে দেখবেন তারা যখন বিছানার সাথে শরীরকে লেলিয়ে দেয় তখন শরীরে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হয় অর্থাৎ কোন দিকে মোড় দিলে ব্যথা অনুভব হয় তখন বুকডাউন দিলে শরীরের সব ব্যথা জাদুর মতো উধাও হয়ে যাবে।

একইভাবে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে অদৃশ্য পরীর মত বিছানার মধ্যে অর্থাৎ মনের মধ্যে কয়েকটি বুকডাউন মেরে দিন শরীর সতেজ থাকবে দিনটি কাটবে আরামদায়ক কাজে কোন ধরনের অলসতা আসবেনা।

তাহলে বন্ধুরা আমরা বুঝতে পারলাম সুস্থ থাকতে আমাদের কি কি করতে হবে এছাড়াও আমাদের সুস্থ থাকার বিষয়ে আরো অনেক আর্টিকেল রয়েছে সেগুলো আপনারা চাইলে করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *